এক নজরে কুরআনে সাজদার আয়াতসমূহঃ কুরআনে সাজদার আয়াতসমূহ ১৫টি- (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১৬৫-১৬৭)। সেগুলো হচ্ছেঃ (১) সূরাহ আল-আ‘রাফ, আয়াত : ২০৬। (২) সূরাহ রা‘দ, আয়াত : ১৫। (৩) সূরাহ আন-নাহল, আয়াত : ৪৯। (৪) মারইয়াম, আয়াত : ১০৭। (৫) সূরাহ ইসরা, আয়াত : ৫৮। (৬-৭) সূরাহ হাজ্জ্ব, আয়াত : ১৮, ৭৭। (৮) সূরাহ ফুরক্বান, আয়াত ৬০। (৯) সূরাহ নামল, আয়াত : ২৫। (১০) সূরাহ সাজদাহ্, আয়াত : ১৫। (১১) সূরাহ সোয়াদ, আয়াত : ২৪। (১২) হামীম সাজদাহ্, আয়াত : ৩৭। (১৩) সূরাহ নাজ্ম, আয়াত : ৬২। (১৪) সূরাহ ইনশিক্বাক্ব, আয়াত : ২১। (১৫) সূরাহ ‘আলাক্ব, আয়াত : ১৯। তিলাওয়াতে সাজদাহর কতিপয় নিয়মঃ ১। এ সাজদার জন্য অযু শর্ত নয়। ২। তিলাওয়াতে সাজদার ক্বাযা নেই। ৩। একই আয়াত বারবার পড়লে শেষে কেবল একবার সাজদাহ্ দিলেই চলবে। ৪। যানবাহনে চলার পথে সাজদাহর আয়াত শুনলে ইশারায় নিজ হাতের উপর সাজদাহ্ করবে। ৫। সাজদাহকারী ‘আল্লাহু আকবার’ বলে সাজদাহ্ করবে। অতঃপর সাজদার যেকোন দু‘আ পড়বে।...
আর তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ ও রসূলের, যাতে তোমাদের উপর রহমত করা হয়। ( 132 ) হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম। ( 59 ) তোমরা আল্লাহর অনুগত হও, রসূলের অনুগত হও এবং আত্মরক্ষা কর। কিন্তু যদি তোমরা বিমুখ হও, তবে জেনে রাখ, আমার রসূলের দায়িত্ব প্রকাশ্য প্রচার বৈধ নয়। ( 92 ) আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে, গনীমতের হুকুম। বলে দিন, গণীমতের মাল হল আল্লাহর এবং রসূলের। অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং নিজেদের অবস্থা সংশোধন করে নাও। আর আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য কর, যদি ঈমানদার হয়ে থাক। ( 1 ) আর আল্লাহ তা’আলার নির্দেশ মান্য কর এবং তাঁর রসূলের। তাছাড়া তোমরা পরস্পরে বিবাদে লিপ্ত হইও না। যদি তা কর, তবে তোমরা কাপুরুষ হয়ে পড়বে এবং তোমাদের প্রভাব চলে যাবে। আর তোমরা ধৈর্য্যধারণ কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা রয়েছেন ধৈর্য্যশীলদে...